ডেয়ার নট লিংগার : দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ার্স

Author : নেলসন ম্যান্ডেলা

List Price: Tk. 600

Tk. 420 You Save 180 (30%)

একটু পড়ে দেখুন

ডেয়ার নট লিংগার : দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ার্স

[পথ চলতে গিয়ে যে গূঢ় আবিষ্কার করেছি তাহলো, কেউ একটা উঁচু পাহাড়ে ওঠার পর অমন আরো অনেকগুলো পাহাড়ের দেখা পায়। বিশ্রামের জন্যে কিছু সময় সেখানে অতিবাহিত করার সময় দেখেছি আমাকে ঘিরে থাকা বনানীর অসাধারণ সৌন্দর্য, যা আমাকে ফেলে আসা পথটা দেখে নেবার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। কিন্তু এই বিশ্রাম শুধু মুহুর্তেরই, যেহেতু মুক্তির সাথে একইরথে চেপে আসে দায়িত্ববোধ; আর তা গ্রহনে বিলম্ব না করার সাহস দেখিয়েছি, কারণ আমার দীর্ঘ পদযাত্রা এখনও শেষ হয়নি। - নেলসন ম্যান্ডেলা, লং ওয়াক টু ফ্রিডম] ১৯৯৪ সালে গণতান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন নেলসন ম্যান্ডেলা। শুরু থেকে পাঁচ-বছরের এক মেয়াদকাল দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি ও তার সরকার এটা নিশ্চিত করে যে, দক্ষিণ আফ্রিকার সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান; এছাড়া শতাব্দীর পর শতাব্দী ঔপনিবেশিক শোষণের শিকার ও বর্ণবাদে বিভক্ত একটি জাতির কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন তিনি। ‘ডেয়ার নট লিংগার’ নেলসন ম্যান্ডেলার প্রেসিডেন্সিয়াল মেয়াদের আখ্যান। মূলত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের শেষভাগে যে স্মৃতিকথা লেখার কাজ শুরু করেছিলেন, তা শেষ করতে পারেননি। অধুনা জনপ্রিয় দক্ষিণ আফ্রিকান লেখক মান্দলা লাঙ্গার হাত দিয়ে শেষ হয়েছে এই গ্রন্থ। এক্ষেত্রে ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত খসড়া পান্ডুলিপি, এবং অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক দলিল- দস্তাবেজকে ভিত্তি করেছেন লেখক। ম্যান্ডেলার স্ত্রী গ্রাকা ম্যাচেলের লেখা প্রস্তাবনা সহকারে বইটি ম্যান্ডেলার প্রেসিডেন্সি ও নতুন গণতন্ত্র সৃষ্টির বিবরণী হিসেবে পরিণতি লাভ করে। ক্রান্তিকাল অতিক্রমকারী একটি দেশের অসাধারণ গল্পই শুধু নয়, বরং নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ম্যান্ডেলার অনবদ্য ভূমিকারও প্রামান্য এই গ্রন্থ।

Author : নেলসন ম্যান্ডেলা

ক্যাটাগরি: অনুবাদ: জীবনী, স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার জীবনী

0 Rating / 0 Review

List Price: Tk. 600

Tk. 420 You Save 180 (30%)

Add to cart Add to Booklist

[পথ চলতে গিয়ে যে গূঢ় আবিষ্কার করেছি তাহলো, কেউ একটা উঁচু পাহাড়ে ওঠার পর অমন আরো অনেকগুলো পাহাড়ের দেখা পায়। বিশ্রামের জন্যে কিছু সময় সেখানে অতিবাহিত করার সময় দেখেছি আমাকে ঘিরে থাকা বনানীর অসাধারণ সৌন্দর্য, যা আমাকে ফেলে আসা পথটা দেখে নেবার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। কিন্তু এই বিশ্রাম শুধু মুহুর্তেরই, যেহেতু মুক্তির সাথে একইরথে চেপে আসে দায়িত্ববোধ; আর তা গ্রহনে বিলম্ব না করার সাহস দেখিয়েছি, কারণ আমার দীর্ঘ পদযাত্রা এখনও শেষ হয়নি।
  - নেলসন ম্যান্ডেলা, লং ওয়াক টু ফ্রিডম]
১৯৯৪ সালে গণতান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন নেলসন ম্যান্ডেলা। শুরু থেকে পাঁচ-বছরের এক মেয়াদকাল দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি ও তার সরকার এটা নিশ্চিত করে যে, দক্ষিণ আফ্রিকার সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান; এছাড়া শতাব্দীর পর শতাব্দী ঔপনিবেশিক শোষণের শিকার ও বর্ণবাদে বিভক্ত একটি জাতির কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন তিনি। 
‘ডেয়ার নট লিংগার’ নেলসন ম্যান্ডেলার প্রেসিডেন্সিয়াল মেয়াদের আখ্যান। মূলত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের শেষভাগে যে স্মৃতিকথা লেখার কাজ শুরু করেছিলেন, তা শেষ করতে পারেননি। অধুনা জনপ্রিয় দক্ষিণ আফ্রিকান লেখক মান্দলা লাঙ্গার হাত দিয়ে শেষ হয়েছে এই গ্রন্থ। এক্ষেত্রে ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত খসড়া পান্ডুলিপি, এবং অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক দলিল- দস্তাবেজকে ভিত্তি করেছেন লেখক। ম্যান্ডেলার স্ত্রী গ্রাকা ম্যাচেলের লেখা প্রস্তাবনা সহকারে বইটি ম্যান্ডেলার প্রেসিডেন্সি ও নতুন গণতন্ত্র সৃষ্টির বিবরণী হিসেবে পরিণতি লাভ করে। ক্রান্তিকাল অতিক্রমকারী একটি দেশের অসাধারণ গল্পই শুধু নয়, বরং নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ম্যান্ডেলার অনবদ্য ভূমিকারও প্রামান্য এই গ্রন্থ। 

Title ডেয়ার নট লিংগার : দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ার্স
Author নেলসন ম্যান্ডেলা
Publisher অন্যধারা
ISBN 9789849366201
Edition ১ম প্রকাশ, ২০১৮
Number of Pages 440
Country Bangladesh
Language বাংলা
nelson-mandela-09060209807.jpg

নেলসন ম্যান্ডেলা

জন্ম: জুলাই ১৮, ১৯১৮ সালে । নেলসন ম্যান্ডেলা থেম্বু রাজবংশের ক্যাডেট শাখায় জন্মগ্রহণ করেন। থেম্বু রাজবংশ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ প্রদেশের ট্রান্সকেই অঞ্চলের শাসক। তাঁর জন্ম হয় ট্রান্সকেই এর রাজধানী উমতাতার নিকটবর্তী ম্ভেজো গ্রামে। তাঁর প্রপিতামহ ছিলেন নগুবেংচুকা (মৃত্যু ১৮৩২), যিনি ছিলেন থেম্বু জাতিগোষ্ঠীর ইনকোসি এনখুলু অর্থাৎ রাজা।


এই রাজার পুত্র ম্যান্ডেলা হলেন নেলসন ম্যান্ডেলার পিতামহ। নেলসনের বংশগত নাম ম্যান্ডেলাই এই পিতামহ থেকেই পাওয়া। তবে নেলসনের পিতামহী ইক্সহিবা গোত্রের হওয়ায় রীতি অনুযায়ী তাঁর শাখার কেউ থেম্বু রাজবংশে আরোহণ করার অধিকার রাখেন না । ম্যান্ডেলার বাবা গাদলা হেনরি মপাকানইসা ম্ভেজো গ্রামের মোড়ল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরাগভাজন হওয়ার পরে তারা ম্যান্ডেলার পিতাকে পদচ্যুত করে। তিনি তখন তার পরিবারসহ কুনু গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। তবে তা সত্ত্বেও ম্পাকানইসা ইনকোসিদের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন এবং থেম্বুর শাসনকর্তা হিসাবে জোঙ্গিন্তাবা দালিন্দ্যেবোকে নির্বাচিত করায় ভূমিকা রাখেন। ম্পাকানইসার মৃত্যুর পর দালিন্দ্যেবো ম্যান্ডেলাকে পোষ্যপূত্র হিসাবে গ্রহণ করেন। ম্যান্ডেলার পিতা ম্পাকানইসার ছিল চারজন স্ত্রী, ও সর্বমোট ১৩টি সন্তান (৪ পুত্র, ৯ কন্যা)। ম্যান্ডেলার মা ছিলেন ম্পাকানইসার ৩য় স্ত্রী নোসেকেনি ফ্যানি। ফ্যানি ছিলেন ম্পেম্ভু হোসা গোত্রের ন্কেদামার কন্যা। মাতামহের বাড়িতেই ম্যান্ডেলার শৈশব কাটে। তাঁর ডাক নাম "রোলিহ্লাহ্লা"র অর্থ হলো "গাছের ডাল ভাঙে যে", অর্থাৎ "দুষ্টু ছেলে"। ম্যান্ডেলা তাঁর পরিবারের প্রথম সদস্য যিনি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। স্কুলে পড়ার সময়ে তাঁর শিক্ষিকা ম্দিঙ্গানে তাঁর ইংরেজি নাম রাখেন "নেলসন"। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগঠন উমখন্তো উই সিযওয়ের নেতা হিসাবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে ও অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। এর অধিকাংশ সময়ই তিনি ছিলেন রবেন দ্বীপে। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি কারামুক্ত হন। এর পর তিনি তাঁর দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নেন। এর ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটে এবং সব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যান্ডেলা তাঁর গোত্রের দেয়া মাদিবা নামে পরিচিত। গত চার দশকে ম্যান্ডেলা ২৫০টিরও অধিক পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভারত সরকার প্রদত্ত ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ভারতরত্ন পুরস্কার ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে নোবেল শান্তি পুরস্কার। তাছাড়াও তিনি ১৯৮৮ সালে শাখারভ পুরস্কারের অভিষেক পুরস্কারটি যৌথভাবে অর্জন করেন। তিনি ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ , ৯৫ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন।


Submit Your review and Ratings

Please Login before submitting a review..